Skip links

সফল মার্কেটিং পদ্ধতি (AIDA মডেল)

কিভাবে খুঁজে বের করবেন আপনার কাঙ্খিত কাস্টোমারকে!

সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ বাণিজ্যের সাথে জড়িত। যেখানে বাণিজ্য আছে সেখানে প্রচার ও প্রসারও মুখ্য। আগেকারদিনে মানুষ ব্যবসার প্রচারণা বলতেই বুঝতো রাস্তায় রাস্তায় পোষ্টারিং, বিলবোর্ডে ইয়াবড় একটা সাইন অথবা গলিতে গলিতে মাইকিং। যুগের সাথে মানুষ আরো আধুনিক হয়েছে, পাল্টেছে প্রযুক্তি। এখন পোস্টারিং, মাইকিংয়ের মধ্যে প্রচারণা আটকে নেই। প্রযুক্তির উন্নয়নে একটি বিরাট অংশ ঝুকেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটি তথ্যনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বের প্রায় ১৮৬ কোটি মানুষ ফেসবুকে নিয়মিতভাবে সক্রিয়। শুধুমাত্র বাংলাদেশেই আছে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ। আর এই বিশাল সংখ্যাটি সময়ের সাথে শুধু বেড়েই চলেছে। যত দিন যাচ্ছে মানুষ প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। কোলে থাকা বাচ্চাটিও খেলনা বাদ দিয়ে ইন্টারনেটের দিকে বেশী আগ্রহী।
প্রযুক্তির এই ট্রান্সফরমেশনে বিজনেসগুলোও হয়ে উঠছে ইন্টারনেটকেন্দ্রিক। একটি স্মার্টফোন আর নেটওয়ার্ক থাকলে যে কেউই একটি বিজনেস শুরু করতে পারছে। কিন্তু যথাযথ পরিকল্পনা, মার্কেটিং মেথড ও অডিয়েন্স টার্গেটিং এ পান্ডিত্য না থাকায় বেশীরভাগ উদ্যোক্তারাই হতাশ হয়ে দমে যাচ্ছেন। ১৮৯৮ সালে আমেরিকান এডভার্টাইজিং এডভোকেট এলিয়াস সেন্ট এলমো লুইস বিজ্ঞাপনের মেথড সম্পর্কে বলেন, একটি সফল বিজ্ঞাপন বেশ কিছু নির্দিষ্ট নিয়মে পরিচালিত হয়ে থাকে। বিজ্ঞাপনের এই নিয়মগুলো নিয়ে তিনি একটি স্ট্রাকচারও তৈরী করেন। পরবর্তীতে এই স্ট্রাকচারটি কার্যকরী হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বর্তমান ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে এই স্ট্রাকচার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চলুন জেনে নিই এর ওপেন সিক্রেটের আদ্যোপান্ত।
মার্কেটিং এডভোকেট লুইস তার আবিষ্কৃত সুত্র অনুযায়ী একটি সফল বিজ্ঞাপনকে ৪টি স্টেজে ভাগ করেন। এর মধ্যে ক্রমান্বয়ে হলোঃ
১) এটেনশন বা মনোযোগ আকর্ষণ।
২) ইন্টারেস্টস বা আগ্রহ প্রকাশ।
৩) ডিজায়ার বা আকাঙ্খা তৈরী।
৪) একশন বা সিদ্ধান্ত গ্রহন।
এই চারটি সুত্র বা স্টেজ মেনেই তার তৈরীকৃত একটি সফল বিজ্ঞাপনের নিতীমালা র্নিধারণ হয়। এটিকে সংক্ষেপে এইআইডিএ অথবা এইডা মডেল হিসেবেও সম্বোধন করা হয়।

কিভাবে আপনার ব্যবসায় এআইডিএ ফর্মূলা প্রয়োগ করবেন?
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে পপুলার ব্র্যান্ডগুলোর অন্যতম কোকাকোলাও এই ফর্মুলায় আজকের এই অবস্থানে এসেছে। একটি সফল বিজেনেসের পূর্বশর্ত সফল প্রচারণা। চলুন জেনে নিই কিভাবে আপনিও এই ফর্মুলা প্রয়োগের মাধ্যমে বিজনেসের সফল প্রচারণা নিশ্চিত করবেন।

শুরুতেই এটেনশন বা মনোযোগ সৃষ্টি করাঃ
আপনার কোন সার্ভিস বা পণ্য ভোক্তার কাছে বিক্রির আগে তাকে আপনার সম্পর্কে পুরোপুরিভাবে পরিচিত করতে হবে। এটিকে ব্র্যান্ড এওয়ারনেস বা ব্র্যান্ড সচেতনতা তৈরীর ধাপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কোকাকোলা কোম্পানী তাদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে থাকে। শুধুমাত্র সাম্প্রতিক বছরগুলোতেই বিশ্বজুড়ে তারা প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করেছে।
আপনার পণ্য বা সেবা প্রচারের আগে আপনার পরিচয় মুল ভূমিকা রাখে। ফ্যাসভ্যালু বা পরিচিতি না থাকলে বিজনেসে স্ট্যাবল করা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। আপনি যদি লাখ টাকার একটি আইফোনও ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চান তবে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিবে কারণ আপনাকে সে চিনে না, জানে না। সুতরাং আপনার পণ্য যত ভালোই হোক, ভোক্তাকে আগে আপনার ব্র্যান্ড সর্ম্পকে পরিচিত করতে হবে। নতুবা রেগুলার বুষ্ট বা প্রমোটে সেলের পরিমাণ আশানুরুপ না হওয়াটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে এআডিএ ফর্মুলাতে রেগুলার মার্কেটিং থেকে অন্তত ১০ গুণ বেশী সেল জেনারেট করা সম্ভব। এর পাশাপাশি রেগুলার সেল, ব্র্যান্ড প্রমোট ও অর্গানিক মার্কেটিং তো আছেই।

কিভাবে কি করবেন?
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার বিজনেস ও প্রোডাক্টস এর কিছু ইনফোগ্রাফিক তৈরী করুন। ফেসবুক পেইজের ক্ষেত্রে শুরুতেই আগে পেইজের আউটলুক সুন্দর করুন। পেইজ এর প্রফেশনাল লগো, কাভার, ইনফো, এনালাইটিক্স করে পুরো পেইজটিকে অডিট করুন। প্রত্যেকেটি সেকশনকে প্রফেশনালী সাজান। যদি আপনি এসবে অভিজ্ঞ না হয়ে থাকেন তবে প্রফেশনাল কোন এজেন্সীর সহযোগিতা নিন। ফেসবুক পেইজ প্রফেশনালী কাষ্টোমাইজেশন নিয়ে আমাদের একটি কমপ্লিট প্যাকেজ আছে, চাইলে সেটিও রিভিউ করতে পারেন। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তবে সেটিকে সুন্দরভাবে সাজান। আপনার পণ্য ও ব্র্যান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সাজিয়ে ওয়েবসাইটে উপস্থাপন করুন যাতে আপনার অডিয়েন্স সহজেই আপনার সম্পর্কে জানতে পারে। আপনার সেলস অপটিমাইজ ও টার্গেটেড অডিয়েন্সের কাছে পৌছাঁতে ফেসবুকের সাথে ওয়েবসাইট ইন্ট্রিগ্রেশন করুন। এড বাজেট অপটিমাইজেশনের জন্য এটি অবশ্য করণীয় একটি বিষয়। ফেসবুক পিক্সেলের মাধ্যমে বাজেট অপটিমাইজেশনের জন্য আমাদের টিমের সাহায্য নিতে পারেন।

২য় ধাপঃ ইন্টারেস্টস বা ইচ্ছা বা আগ্রহ তৈরী
কোন ভোক্তা যখন আপনার বিজনেস সম্পর্কে ইতিমধ্যেই জানে তখন সেটি নিয়ে নানান কৌতুহল প্রকাশ করবে। আপনার প্রোডাক্টস সম্পর্কে দেখবে, যাচাই করবে। আপনার ব্র্যান্ড নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হবে। আমার মতে একটি সফল মার্কেটিং প্ল্যানিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেজ এটি। একজন ভোক্তা যদি আপনার ব্র্র্যান্ড সম্পর্কে সঠিক তথ্য সঠিকভাবে না পায় তবে এই স্টেজেই আপনার মার্কেটিং প্ল্যান ফেইল করবে। একজন কাঙ্খিত ক্রেতার কোন প্রোডাক্ট কেনার ইচ্ছা তৈরির আগে অবশ্যই সেটি সম্পর্কে তথ্য জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধাপে, আপনার ভোক্তার দুটি পর্যায় তৈরী হতে পারে। যেমন, “এটি আমার প্রয়োজন” বা “নাহ, এটি কোন কাজের হবে না”। আপনি যদি প্রোপারলী আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে ক্লায়েন্টকে জানান দিতে পারেন তবে আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স সিলেকশনে আর বেগ পেতে হবে না। এজন্য এই সময়ে আপনাকে পণ্যের গুণগতমান ও লাভের বিষয়গুলো তুলে ধরতে হবে। তাই এমন কনটেন্ট তৈরী করবেন যাতে ভোক্তা আপনার ব্র্যান্ড এর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে। এভাবে এংগ্যাজমেন্ট তৈরী করতে হবে।

কিভাবে কি করবেন?
ইন্টারেস্ট পর্যায়ে আপনার ফেসবুক পেইজ, ওয়েবসাইট ও অন্যান মাধ্যমে আপনার পন্য সম্পর্কে অডিয়েন্স আগ্রহী হয়ে উঠবে। এই সময়ে তাদের জন্য উপকারী কিছু গ্রাফিক্যাল এসেট, কনটেন্ট তৈরী করুন। তাদেরকে আপনার পণ্যের শ্রেষ্টত্ব সম্পর্কে অবগত করুন। উদাহরনস্বরুপ, আপনি বাবুদের ডায়পার নিয়ে কাজ করেন। এক্ষেত্রে আপনার ফেসবুক পেইজ ও ওয়েবসাইটে ডায়পারের গুণাগুণ সর্ম্পকিত কিছু পাবলিশ করুন। এটি কেন অন্যান ব্র্যান্ড থেকে ভালো, কত দ্রুত পানি শুষে নেয় এবং পানিশোষণের পরিমাণ কতটুকু অথবা এটি কতক্ষণ পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় এসকল বিস্তারিত দিয়ে আপনার পেইজ এবং ওয়েবসাইটকে ইনফরমেটিভ করুন। এছাড়া আপনার পণ্যটি কিভাবে আপনার ভোক্তার সমস্যা সমাধান করতে পারে সেটি জানান দিন। পণ্যের গুণাগুণ, সমস্যার সমাধান ইত্যাদি যখন আপনার ভোক্তা অবগত হবে তখন সে নিজ থেকেই আপনাকে নক দিয়ে সেটি কিনতে চাইবে। মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে এফেক্টিভ পদ্ধতি এটি।

৩য় ধাপঃ ডিজায়ার বা কেনার আকাঙ্খা সৃষ্টি
এই পর্যায়ে এসে আপনার কাঙ্খিত অডিয়েন্স আপনাকে চিনে, জানে- কিছুক্ষেত্রে আপনাকে তারা ভরসা করাও শুরু করেছে। একজন ক্রেতা তাদের থেকেই কেনাকাটা করে যেখানে সে আস্থা রাখতে পারে। ডিজায়ার বা কেনার আকাঙ্খা সৃষ্টির ধাপে অডিয়েন্স দ্বিধার মধ্যে থাকে। এ সময় সে নানান হিসাব নিকাশ কষা শুরু করে। আপনার প্রোডাক্ট এর গুণ, মুল্য ও এটি তার প্রয়োজন পুরণে কতটুকু অবদান রাখতে পারছে এইসব কিছু।
সেল ক্লোজিং বা ফাইনাল স্টেজে যাওয়ার জন্য সর্বশেষ ধাপটিতে ভোক্তার অবচেতন মনে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে একটি পজিটিভ চিন্তা প্রবেশ করাতে হবে। সে যেন ভাবতে শুরু করে, আপনার পণ্যই তার সমস্যা সমাধানের সর্বোৎকৃষ্ট সমাধান। এই সময়টাতে অডিয়েন্স আপনার পেইজ বা ওয়েবসাইট বারংবার ভিজিট করে, অন্যানদের সাথে তুলনা করে এবং সর্বশেষ একটি ডিসিশনে পৌছাঁয়।
কিভাবে কি করবেন?
কোন অডিয়েন্স যখন আপনার পণ্য নিয়ে দ্বিধার মধ্যে আছে তখন সবচেয়ে এফেক্টিভ পদ্ধতি হলো কাস্টোমার এট্র্যাকটেড এক্যুইজিশন। এই সময়ে যদি আপনি কোন অফার দেন যেমন, “আাগমীকালের মধ্যে ডায়পার নিলে ১৫% ছাড় অথবা ৫টি ডায়পার নিলে একটি ফ্রি, শুধুমাত্র আজকের জন্য”। তখন অডিয়েন্সের ডিসিশন গ্রহণ করার প্রবণতা বেড়ে যায়। তার অবচেতন মনে করে “এই তো সুযোগ, দেরী করলে না জানি মিস হয়ে যায়”। এবং এতে করে সে সর্বশেষ ধাপ একশনের দিকে ধাবিত হয়।

সর্বশেষ, একশন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ
আপনার অডিয়েন্স যখন চুড়ান্তভাবে প্রভাবিত হয়ে আপনার পণ্য কিনতে আগ্রহী হয় তখন এটিকে সম্পন্ন করার পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করার উচিৎ। এ সময়ে অডিয়েন্স কেনার মেথড খুঁজবে, পেমেন্ট গেটওয়ে নিশ্চিত করবে যাতে সে পেমেন্ট করতে পারে। সর্বশেষ একশনে কল টু একশন বাটন সবচেয়ে বেশী কাজে দেয়। এই সময়টাতে তাকে কনভার্সনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে নিয়ে যান। এতে করে যখন সে কোন একটি নির্দিষ্ট পণ্য কিনতে ওয়েবসাইট ভিজিট করে তখন পাশাপাশি অন্যান প্রোডাক্ট রিকমেন্ডশনে থাকলে সেল ভলিয়ম কয়েকগুণে বেড়ে যায়।
কিভাবে কি করবেন?
আপনার ফেসবুকের ইন্সট্যান্ট সাপোর্ট নিশ্চিত করুন। ওয়েবসাইট কনভার্সনে ফেসবুকের সাথে ওয়েবসাইট ইন্ট্রিগ্রেশন করুন- পিক্সেল সেটাপ করে অডিয়েন্সকে নারিশ করুন। এছাড়া একই এডভার্টাইজমেন্ট কোষ্টিং এ অন্যান পণ্য সেল করতে প্রোডাক্টস সাজেশন ও রিকমেন্ডশন চালু করুন। আপনার ওয়েবসাইটে পেমেন্ট গেটওয়ে নিশ্চিত করুন যাতে ভোক্তা পেমেন্ট জটিলতায় পড়ে ফিরে না যায়। এছাড়া সেলস ক্লোজিং এর জন্য আপনার সাপোর্ট, ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড স্মুথ করুন যাতে অডিয়েন্স নেগেটিভ এক্সপেরিয়েন্স না পায়।

এআইডিএ ফর্মুলার ধাপগুলো একটি ফানেলের মতো কাজ করে। একটি ফানেল বা ছাকনী যেমন কয়েকটি জিনিসের সংমিশ্রণ থেকে কাঙ্খিত বস্তুটিকে বের করে ঠিক একইভাবে এই ধাপগুলোর মাধ্যমে আস্তে আস্তে আপনার মুল অডিয়েন্স বের হয়ে আসে । যেমন আমরা সাধারণভাবে যখন কোন পোস্ট বুষ্ট করি তখন সেটিতে সবাই আগ্রহ প্রকাশ করে না। ধরা যাক, একটি পোস্ট প্রায় ১ লাখ লোকের কাছে পৌছালো। এখানে সবাই আপনাকে লাইক বা কমেন্ট করবে না। ১ লাখ মানুষ থেকে নেমে গিয়ে লাইক বা কমেন্ট করলো মাত্র ১৫ হাজার। এই ১৫ হাজারে সবাই আপনাকে ইনবক্স বা কল করবে না। ধরা যাক, ১৫ হাজার আগ্রহীর মধ্যে সিরিয়াস আগ্রহী ২ হাজার, যারা আপনাকে মেসেজ বা ফোন করলো। এখানে যারা ফোন বা মেসেজ করলো তারাও সবাই আপনার পণ্যটি নিবে না। হয়তো ২ হাজারে মাত্র ২০০ জন আপনার প্রোডাক্ট নিলো। এখানে এটি একটি ছাকনীর মতো কাজ করলো। প্রোপার মার্কেটিংয়ে আপনি আপনার টার্গেটেডে কাস্টোমারের একটি নেটওয়ার্ক তৈরী করতে পারেন এবং বারবার রি-টার্গেটিং এর মাধ্যমে রেগুলার মার্কেটিং থেকে কয়েকগুণ বেশী হারে সেল ক্লোজিং করতে পারেন।
অনলাইনে সেলিং নিয়ে কোন বিষয়ের উপর সল্যুশন চান তা লিখতে পারেন কমেন্টে। আমি চেষ্টা করবো আপনাদের প্রত্যেকটি বিষয় সম্পর্কে জানানোর।

Leave a comment